Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts

Friday, September 27, 2024

জামায়াত শিবির কেনো এত বই পড়ে?

 



বিশ্বের সফল মানুষ নিয়মিত বই পড়েন।

বিশ্বের সেরা ধনীরা সামাজিক দৃষ্টিতে সফল মানুষ হিসেবে সমাদৃত। শত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা নিয়মিত বই পড়েন। তাঁরা বইয়ের জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করেই হয়েছেন পৃথিবীর শীর্ষ সম্পদশালী। শীর্ষ ধনীদের বই পড়ার এমন অভ্যাস নিয়ে লিখেছেন: এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

বিল গেটস

বিল গেটস নামটি সারা বিশ্বে সবার কাছে পরিচিত। এ মানুষটিও প্রচুর বই পড়েন। তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি বই শেষ করেন। বছর শেষে তিনি পড়ে ফেলেন ৫০টির মতো বই। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-সম্পর্কিত নন-ফিকশন বই থেকে শুরু করে উপন্যাস ও আত্মজীবনী পড়েন। শুধু নিজে বই পড়ে ক্ষান্ত থাকেন না, বই পড়া শেষে বইয়ের রিভিউ দেন তাঁর নিজস্ব ওয়েবসাইটে। প্রতিবছর তিনি প্রকাশ করেন ওই বছরে তাঁর পঠিত সেরা ১০টি বই। বই পড়া নিয়ে বিল গেটস দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘ছোট থেকেই আমার শেখার অন্যতম প্রধান উপায় হলো বই পড়া।’

মার্ক জাকারবার্গ

ফেসবুকের কথা উঠলেই যে নামটি মনে ভেসে ওঠে, তিনি হলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। তিনি সারা বিশ্বে অসংখ্য মানুষকে স্ক্রিনে আসক্তি করালেও তাঁর সন্তানদের ডিজিটাল গ্যাজেট থেকে দূরে রেখেছেন। এসবের বদলে তিনি সন্তানদের হাতে দিয়েছেন বই। মার্ক জাকারবার্গও বিল গেটসের মতো বইপড়ুয়া মানুষ, যিনি প্রযুক্তি ও যোগাযোগের পেছনে বেশি সময় ব্যয় করলেও প্রতি দুই সপ্তাহে একটা করে বই শেষ করেন। 

তিনি বই পড়ার জন্য ২০১৫ সালে একটি ক্লাব খুলেছেন। সেখানে তিনি বই নিয়ে আলোচনা করেন।।

ইলন মাস্ক

ইলন মাস্ক বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন। কে না চেনেন তাকে! ইলন মাস্কের নিয়মিত অভ্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বই পড়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকে নিয়মিত দিনে ১০ ঘণ্টা বই পড়তেন। তবে ব্যস্ততা বাড়ার কারণে ১০ ঘণ্টা বই পড়া সম্ভব না হলেও প্রতিদিন তিনি নির্দিষ্ট সময় বই পড়েন। তিনি একজন মনোযোগী পাঠক। তিনি মনে করেন, বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জ্ঞানার্জন অত্যাবশ্যক। তাঁকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কীভাবে তিনি রকেট বানানো শিখলেন? উত্তরে বলেছিলেন, ‘আই রিড বুকস।’

ওয়ারেন বাফেট

ওয়ারেন বাফেট গোগ্রাসে বই পড়েন। তিনি ১১ বছর বয়স থেকে সংবাদপত্র, বার্ষিক প্রতিবেদন, অর্থ ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ, ব্যবসা ও অর্থনীতি প্রভৃতি বই পড়া শুরু করেন। তাঁর জ্ঞানের তৃষ্ণা ব্যাপক। তিনি এত বেশি বই পড়তেন যে তাঁর শহরের যত লাইব্রেরি ছিল, সেগুলো তাঁর কাছে কম মনে হতো। শুধু তা-ই নয়, ৯৪ বছর বয়সী ওয়ারেন বাফেট এখনো প্রতিদিন গড়ে ৫০০ পৃষ্ঠা পড়েন। তিনি প্রতিদিন প্রায় ৬ ঘণ্টা বই পড়ার পেছনে ব্যয় করেন; যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্করা দিনে মাত্র ২০ মিনিট পড়ার পেছনে ব্যয় করেন। তিনি মনে করেন, বই পড়া হলো চক্রবৃদ্ধি সুদের মতো; যত পড়বেন তত জ্ঞান বাড়বে। তিনি বই পড়ার অভ্যাসকে তাঁর সাফল্যের রহস্য হিসেবে মনে করেন।

জ্যাক মা

আলিবাবার সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মাকে অনেকে অনুপ্রেরণাদানকারী হিসেবে চেনেন। তিনি জীবনে অনেক সমস্যা মোকাবিলা করে সফল হয়েছেন। তাঁর প্রতিদিনের অন্যতম অভ্যাস হলো বই পড়া, নতুন কিছু শেখা। তিনি প্রতিদিন বই পড়েন আরও স্মার্ট হতে এবং নতুন কোনো আইডিয়া খুঁজে পেতে। জ্যাক মা বলেছেন, ‘প্রচুর বই পড়ার ফলে আপনি যেকোনো বিষয়ে ভালো একটি সূচনা করতে পারবেন; যা প্রায় সময় আপনার সহকর্মীরা পারবে না। যাঁরা প্রচুর বই পড়েন, তাঁদের বিভিন্ন বিষয়ে জানার সম্ভাবনা বেশি। আপনি যদি শুরুতে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা বা তার বেশি পড়ার অভ্যাস করতে না পারেন, তাহলে ২০ বা ৩০ মিনিট হলেও বই পড়েন।

এজন্য জামায়াত শিবির ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র সহ দুনিয়া ও পরকালে সফল হতেই প্রচুর পরিমাণে বই পড়ে।

সূত্র: আজকের কাগজ।

Monday, November 6, 2023

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এমপিওর আবেদনে জটিলতা

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এমপিওর আবেদনে জটিলতা ।

    মাদরাসা শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়াকরণ সার্ভার মেমিস-এ প্রবেশ করতে পারছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা। ফলে মাদরাসায় নিয়োগ পাওয়া বহু নতুন শিক্ষক চলতি নভেম্বর মাসে এমপিওভুক্তির আবেদন জমা দেয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন। 

গতকাল রোববার মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের নভেম্বর মাসের এমপিওভুক্তির আবেদনের শেষ দিন ছিলো। কিন্তু সকাল থেকে শিক্ষকরা মেমিস সার্ভারে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে তাদের এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়নি। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বহু শিক্ষক-কর্মচারী একসঙ্গে অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন করার চেষ্টা করায় মেমিস ওভারলোডেড হয়ে পড়ে।  ফলে সার্ভারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। জটিলতা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী নভেম্বর মাসে আবেদন করেছেন। বেশ কয়েকজন শিক্ষক দৈনিক আমাদের বার্তাকে জানান, মাদরাসা শিক্ষকদের এমপিও আবেদনের প্রতিমাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে করতে হয়। তবে রোববার মেমিস সফটওয়্যারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আবেদন করা যাচ্ছে না। বহু নতুন শিক্ষক এমপিওর আবেদন করার অপেক্ষায় আছেন। নভেম্বরে এমপিওভুক্তি আবেদন না করলে তারা এ মাসেও বেতন-ভাতা বা এমপিও পাবেন না। ডিসেম্বর মাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। 

মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগদান থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার বিধান এখনো কার্যকর হয়নি। ফলে এমপিওভুক্তির আবেদন করতে না পারা শিক্ষক-কর্মচারীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। 

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা জটিলতা নিরসন করে এমপিওভুক্তির আবেদনের সময় কিছুটা বাড়িয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। মেমিস সার্ভারের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক ও এমপিও কমিটির সদস্য সচিব মো. লুৎফর রহমান রোববার সন্ধ্যায় দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, ১ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির আবেদন করার সময় থাকলেও বেশিরভাগ শিক্ষক-কর্মচারী শেষ দিকে আবেদন করার চেষ্টা করেছেন। বহু শিক্ষক কর্মচারী একসঙ্গে এমপিওভুক্তির আবেদনের চেষ্টা করায় সার্ভার ওভারলোডেড হয়ে গেছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। 

তবে, মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর আবেদনের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এ মাসে এমপিওভুক্তির আবেদন করেছেন। 

সুত্রঃ দৈনিক শিক্ষা ডটকম